ব্রেকিং:
পেঁয়াজের মাধ্যমে ছড়াচ্ছে ব্যাকটেরিয়া, আক্রান্ত ৪২ দেশ বন্যায় এ পর্যন্ত ১০ হাজার ৪৮ মেট্রিক টন চাল বিতরণ হাওরে ট্রলারডুবি, ১৭ জনের মরদেহ উদ্ধার মৎস্য খাতে কোনো দুর্নীতি বরদাশত করা হবে না : শ ম রেজাউল `পাট খাতে যুগোপযোগী সংস্কার করা হচ্ছে` জুলাইয়ে রপ্তানি আয় বেড়েছে ১৩.৩৯ শতাংশ সব কাজ ডিজিটালি করার পথ খুলছে দেশে একদিনে আরো ৩৩ মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ২৬৫৪ বৈধ পথে বাড়ছে রেমিট্যান্স হুন্ডির দিন শেষ ঈদ ঘিরে বঙ্গবন্ধু সেতুতে টোল আদায়ে রেকর্ড মেজর সিনহার মাকে ফোন, বিচারের আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর একাদশ শ্রেণির ভর্তি আবেদন রোববার থেকে শুরু করোনায় স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য আবাসনে ছয় প্রতিষ্ঠান লেবাননে বিস্ফোরণে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ১৯ সদস্য আহত ঝড়বৃষ্টি নিয়ে দুঃসংবাদ জানালো আবহাওয়া অফিস লেবাননের বৈরুতে যে কারণে ঘটল বিস্ফোরণ গোপালগঞ্জে স্কুলে ও রাস্তায় আশ্রয় নিয়েছে ৫ শতাধিক বানভাসি চীনা ভ্যাকসিনের ফলাফল সন্তোষজনক হলে বাংলাদেশে ট্রায়াল শনিবার থেকে চামড়া কিনবেন ট্যানারি মালিকরা আন্তর্জাতিক বাজারে ২ শতাংশ বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম
  • বুধবার   ০৫ আগস্ট ২০২০ ||

  • শ্রাবণ ২২ ১৪২৭

  • || ১৫ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

১৪৯

চিত্রগ্রাহক মাহফুজুর রহমান খান মারা গেছেন

নোয়াখালী সমাচার

প্রকাশিত: ৬ ডিসেম্বর ২০১৯  

শ্রাবণ মেঘের দিন, ঘেটুপুত্র কমলা, আগুনের পরশমনিসহ অসংখ্য সিনেমার চিত্রগ্রাহক মাহফুজুর রহমান খান মারা গেছেন। রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে রাত ১২টা ২৬ মিনিটে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেন মাহফুজুর রহমান খানের ভাতিজা শাহাদাত রহমান খান।

শাহাদাত রহমান খান জানান, শুক্রবার জুমার নামাজের পর চকবাজারের শাহী মসজিদে তার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর বিকেল তিনটায় দীর্ঘদিনের কর্মস্থল বিএফডিসিতে নেয়া হবে, সেখানে তার দ্বিতীয় জানাজা হবে। এরপর মাহফুজুর রহমান খানকে আজিমপুর কবরস্থানে দাফন করা হবে।

এর আগে ২৫ নভেম্বর রাতে পুরান ঢাকার বাসায় খাবার খাওয়ার সময় লাঞ্চের মধ্যে খাবার ঢুকে অসুস্থ হয়ে পড়েন। এরপর কাশির সঙ্গে রক্তপাত হতে থাকলে রাত দশটার দিকে স্বজনরা তাকে রাজধানীর গ্রিন লাইফ হাসপাতালে নিয়ে আসেন। সেখানে লাইফ সাপোর্টে থাকার পর ৩০ নভেম্বর পারিবারিক সিদ্ধান্তে ইউনাইটেডের হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়।

উল্লেখ্য, মাহফুজুর রহমান খান ১৯৪৯ সালের ১৯ মে পুরান ঢাকার হেকিম হাবিবুর রহমান রোডের এক বনেদী পরিবিরে জন্ম গ্রগণ করেন। পেশাদার চিত্রগ্রাহক হিসেবে তিনি ১৯৭২ সালে প্রথম চলচ্চিত্রে কাজ করেন। তিনি আলমগীর কবির, আলমগীর কুমকুম, হুমায়ুন আহমেদ, শিবলি সাদিকদের মত চলচ্চিত্র পরিচালকদের সঙ্গে কাজ করেছেন।

চলচ্চিত্রে চিত্রগ্রহণের জন্য তিনি নয়বার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, আটবার বাচসাস পুরস্কার এবং একবার বিশেষ বিভাগে মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার লাভ করেন।