ব্রেকিং:
অকালেই শেষ হয়ে যাবে চাটখিলের রাকিবের সব স্বপ্ন? সাহায্যের আকুতি.. ইটের ভাটার বিষাক্ত ধোঁয়ায় স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে দেড় হাজার শির্ক্ষাথী পরিচয় যাই হোক পাপিয়ার বিচার হবে: কাদের মাদকমুক্ত পরিচ্ছন্ন বসুরহাট গড়ায় মেয়র আবদুল কাদের মির্জা সংবর্ধিত সেনবাগে স্বামী হত্যায় ব্যর্থ স্ত্রী পালাল ছেলে নিয়ে ময়লা আবর্জনায় ভাসছে মাইজদী শহর পবিত্র শবে মেরাজ ২২ মার্চ ইনিংস পরাজয়ের শঙ্কায় ধুঁকছে জিম্বাবুয়ে জুতা পালিশ থেকে সানির ইন্ডিয়ান আইডল জয় তারেকের হাত ধরেই অন্ধকার জগতে পা রাখেন পাপিয়া! পুরান ঢাকায় ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান, ২০ কোটি টাকা উদ্ধার বাংলাদেশি পরিবারকে ১০ হাজার ডলার দিচ্ছে সিঙ্গাপুর নিজ ড্রাইভারের নামে মামলা করলেন এসপি বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি ফাঁসির আদেশ দেয়া হয় যে রায়ে পিলখানা হত্যা দিবস আজ গর্ভবতী হয়েও সাপের মুখ থেকে মালিককে বাঁচাতে পিছুপা হয়নি সে ৭৬ বছর পর সন্ধান মিলল বিধ্বস্ত হওয়া ৩ বিমানের মদ খেলে চলবে না যে সাইকেল দলীয় নেতাকর্মীদের আঘাতে আহত হন রিজভী বেগমগঞ্জে অ্যাম্বুলেন্সে এসএসসি পরীক্ষা!
  • মঙ্গলবার   ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ||

  • ফাল্গুন ১৩ ১৪২৬

  • || ০১ রজব ১৪৪১

সর্বশেষ:
একবছরে পাঁচগুণ মুনাফা বেড়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আমাজন বাঁচাতে লিওনার্দোর ৫০ মিলিয়ন ডলারের অনুদান ১৬২৬৩ ডায়াল করলেই মেসেজে প্রেসক্রিপশন পাঠাচ্ছেন ডাক্তার জোরশোরে চলছে রূপপুর পারমাণবিক প্রকল্পের কাজ
৭৭৮

খেজুর রস বিক্রিতে স্বাবলম্বী সোনাগাজীর গাছিরা

নোয়াখালী সমাচার

প্রকাশিত: ১৫ জানুয়ারি ২০২০  

চলছে শীত মৌসুম। প্রচন্ড শীতে এক সময় দিগন্ত জুড়ে, মাঠ কিংবা সড়কের দুই পাশে সারি সারি খেজুরগাছ চোখে পড়তো। কালের বিবর্তনে হারিয়ে যেতে বসেছে সেই গাছ। তারপরও যে গাছ অবশিষ্ট আছে তাতে শীত মৌসুমে গ্রামবাংলার ঐতিহ্য খেজুরগাছের রস সংগ্রহে ব্যস্ত সময় পার করছেন ফেনীর সোনাগাজীর চরাঞ্চলের গাছিরা। খেজুর রসের ব্যাপক চাহিদা থাকায়, অর্থনৈতিকভাবে স্বচ্ছলতা এসেছে মৌসুমী গাছিদের।
শীতের সকালে মিষ্টি রোদে বসে এই সুস্বাদু রস পানের মজাই আলাদা। শীতের আগমনের সঙ্গে সঙ্গে রস সংগ্রহে প্রতিযোগিতায় মেতে উঠেছেন গাছিরা। ফলে সারা বছর অযতœ, অবহেলায় পড়ে থাকলেও সোনাগাজীর বিভিন্ন গ্রামগঞ্জে খেজুরগাছের এখন কদর বেড়েছে। তবে, গাছ সংকটের কারণে প্রতি বছরের মতো এ বছরও চাহিদা অনুযায়ী রস পাওয়া যাচ্ছে না বলে গাছিরা জানান।


দক্ষিণ চর ছান্দিয়া গ্রামের আবুল বশরের ছেলে মৌসুমী গাছি মো: রিপন মিয়া জানান, দিন দিন খেজুরগাছ হারিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু প্রতি বছর শীত মৌসুমে খেজুরগাছের রস, গুড়, পাটালির চাহিদা ঠিকই থাকে। তবে গাছ হ্রাস পাওয়ায় দাম বেড়েছে। সীমিত সংখ্যক গাছ যে রস সংগ্রহ হয়, তা চাহিদার তুলনায় অপ্রতুল। সে জানান, তাঁর আওতায় ৬০টি গাছ রয়েছে, দৈনিক এসব গাছ থেকে ৭০ থেকে ৮০ লিটার রস সংগ্রহ হয়। এ রস সে সোনাগাজী উপজেলা ছাড়াও ফেনী জেলা শহরে বিক্রি করে প্রতি ৪০ টাকায়। প্রতিদিন গড়ে তাঁর আয় হয় আড়াই থেকে তিন হাজার টাকা। তাঁর কাছে আগাম এক সপ্তাহের অর্ডার দিতে হয়। কেউ রস চাইলেই পাবে না আগে মোবাইলে অর্ডার করতে হবে। এতে রিপনের মুখে হাসি ফুটেছে। শীত শেষ হয়ে গেলে তিনি তাঁর অন্যে কর্মে ফিরে যান।

অপরদিকে সোনাগাজীর দক্ষিণ পূর্ব চর-ছান্দিয়া গ্রামের মো: রুহুল আমিনের ছেলে গাছি মো: একরামুল হক জানান, তিনি প্রতিদিন ৩৮টি গাছে কলসির বদলে প্লাস্টিকের বোতলে রস আহরণ করেন। প্রতি লিটার রস ৪৫ টাকা। তিনি এ রস ফেরি করে ফেনীর মহিপালে বিক্রি করেন। প্রতিদিন তাঁর আয় ১৫ শত টাকা। মোবাইলে রসের অর্ডার নেন। তিনি পেশায় দিন মজুর। শীত মৌসুম এলে গাছি সেজে যান অন্য মৌসুমে কৃষি কাজ করেন।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাজ্জাদ হোসেন মজুমদার বলেন, আমরা কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ থেকে বিভিন্ন সড়কের দুই পাশে খেজুরগাছ লাগানোর জন্য কৃষকদের পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। খেজুরগাছ ফসলের কোনো তি করে না। এই গাছের জন্য বাড়তি কোনো খরচও করতে হয় না। খেজুর রসের ব্যাপক চাহিদা থাকায়, অর্থনৈতিকভাবে স্বচ্ছলতা এসেছে মৌসুমী গাছিদের।

নোয়াখালী সমাচার
নোয়াখালী সমাচার
সারাবাংলা বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর