ব্রেকিং:
জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় শেখ হাসিনার পদক্ষেপ তিস্তায়ও আগ্রহী চীন আপনজনদের জীবনকে হুমকির মুখে ঠেলে দেবেন না : প্রধানমন্ত্রী বর্ডার এলাকার সব মানুষের দ্রুত করোনা পরীক্ষা বাধ্যতামূলক ফেনীর ৪ থানায় নতুন ওসি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তাণ্ডবের ঘটনায় গ্রেফতার ৪৬২ ফেনীতে ৪শ’ পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দিল রেড ক্রিসেন্ট বাসায় ডেকে ফ্রিজ ম্যাকারের অশ্লীল ভিডিও ধারণ, নারীসহ আটক ৬ কনস্টেবলকে সততার পুরস্কার দিলেন এসপি কুমিল্লা ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে পানিতে ডুবে মা-ছেলের মৃত্যু কোভিড কেয়ার সেন্টারে খাওয়ানো হচ্ছে গোমূত্র লকডাউন আরো সাতদিন বাড়তে পারে: জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ক্ষুরা রোগের ৩৫ লাখ টিকা আমদানি করেছে সরকার করোনা টেস্টের নতুন ফি জানাল সরকার ঈদুল ফিতর সিয়াম সাধনার সাফল্য করোনায় মৃত্যু ১২ হাজার ছাড়ালো, একদিনে শনাক্ত ১২৩০ ঈদের তারিখ যেভাবে চূড়ান্ত করে চাঁদ দেখা কমিটি বৃহস্পতিবার থেকে ঈদের ছুটি শুরু, বুধবার শেষ কর্মদিবস নেপালকে করোনা চিকিৎসাসামগ্রী দিল বাংলাদেশ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে স্বাধীনতা স্তম্ভ নির্মাণ প্রকল্পের আওতায়
  • বুধবার   ১২ মে ২০২১ ||

  • বৈশাখ ২৯ ১৪২৮

  • || ২৯ রমজান ১৪৪২

কবিরহাটে দুই সন্তানের জননীর সাথে প্রাইভেট শিক্ষকের পরকীয়া!

নোয়াখালী সমাচার

প্রকাশিত: ১ ফেব্রুয়ারি ২০২১  

কবিরহাট পৌরসভার ২নং ওয়ার্ড পূর্ব ফতেপুরের জাফর উল্লাহ মাস্টারের ছেলে মোঃ কামাল হোসেন (৪২)। কামাল হোসেন কবিরহাট কেজি স্কুলে শিক্ষতা করেন। একই উপজেলার মাঝির হাটের রবি দুবাই বাড়ির দুই সন্তানের জননী হানিফ মুক্তারের মেয়ে মোছাম্মদ সালমা আক্তার (৩০) এবং শিক্ষক কামালের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে পরকীয়ার সম্পর্ক চলছে।

ঘটনার সুত্রে এবং সালমা আক্তারের ঘনিষ্ঠদের সুত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে কামাল হোসেন এবং সালমা’র মধ্যে পরকীয়ার সম্পর্ক চলছে। সালমা স্কুলে পড়া অবস্থায় কবিরহাট কেজি স্কুলের শিক্ষক কামাল হোসেন এর কাছে প্রাইভেট পড়তো। তখন থেকে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতার সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে মেয়েটির অন্যত্রে বিয়ে হয়ে যায়। কিন্তু বিয়ের পরও মেয়েটির স্বামীর অজান্তে স্কুল শিক্ষক কামালের সাথে মোবাইলে কথা-বার্তা বলতো বলে জানা যায়। তারা দুজনে গোপনে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন স্থানে দেখা করতো বলেও কয়েকজন জানিয়েছে। এরইমধ্যে বিগত ২৭ জানুয়ারী মেয়েটি তার স্বামীর বাড়ি ছেড়ে মোঃ কামাল হোসেন এর কাছে চলে আসে।

বিষয়টি মেয়েটির স্বামী মোহাম্মদ সালাউদ্দিন জানতে পেরে পৌরসভার বিভিন্ন পর্যায়ের প্রতিনিধিদের সাথে যোগাযোগের মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা চালায়। কিন্তু সালমা তার স্বামী সালাউদ্দিনের কাছে যেতে অস্বীকৃতি জানায়। পরবর্তীতে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য শিক্ষক কামাল হোসেন কোন উপায় না পেয়ে সালমাকে জোরপূর্বক তার বাপের বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়। তাদের দু’জনের পরকীয়ার বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যে এলাকায় আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।