ব্রেকিং:
করোনার মধ্যেই বাণিজ্য মেলা ফুলগাজীতে মেছো বাঘ আটক ফেনীতে স্বাস্থ্য কার্যক্রম পরিদর্শনে সেব্রিনা ফ্লোরা লক্ষ্মীপুর আইনজীবী সমিতি নির্বাচন ঈদে মুক্তি পাচ্ছে ”ভাইজান” নোয়াখালীতে সাংবাদিক বোরহান হত্যার তদন্তে পিবিআই স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের ১৩ বছর পর রায়, আসামির যাবজ্জীবন করোনায় আরো পাঁচজনের মৃত্যু, শনাক্ত ৪২৮ শেখ হাসিনার মতো নেতা সারাবিশ্বে পাওয়া যাবে না: ডা. দিপু মনি কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালে সাধারণ মানুষও চিকিৎসা পাবেন: আইজিপি তথ্যের স্বচ্ছতা-নিরাপত্তা নিশ্চিতে ব্লকচেইন ব্যবহার করছে সরকার টিকা নিলেন শেখ রেহানা পুলিশ সদস্যদের লাল গোলাপ দিল সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা টিকায় অ্যান্টিবডির ভালো ফল মিলছে ২৫০৪ যুদ্ধাপরাধীর তালিকা রয়েছে সরকারের কাছে স্বপ্ন জাগিয়েছে মেগাপ্রকল্প সাশ্রয়ী মূল্যে সুপেয় পানি সরবরাহের সুপারিশ বন্ডের বাজারে রেকর্ড পরিমাণ লেনদেন আরও সহজ হলো প্রণোদনা প্যাকেজ টিকা কিনতে ৯৪ কোটি ডলার সহায়তা দেবে এডিবি
  • বুধবার   ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১ ||

  • ফাল্গুন ১৩ ১৪২৭

  • || ১২ রজব ১৪৪২

এক যুগেও পূর্ণতা পায়নি ফেনীর ভাষাশহীদ সালাম স্মৃতি জাদুঘর

নোয়াখালী সমাচার

প্রকাশিত: ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২১  

মায়ের ভাষার মর্যাদা রক্ষায় ১৯৫২-এ জীবন দিয়েছিল সালাম, বরকত, জব্বার, রফিক, শফিউল্লাহসহ নাম না জানা অনেকে। তাদের রক্তের বিনিময়েই আজকে মুখে মুখে বাংলা ভাষা। এদের মধ্যে শহীদ আবদুস সালামের বাড়ি ফেনী শহর থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার পশ্চিমে দাগনভূঞা উপজেলার মাতুভূঞা ইউনিয়নের সালামনগরে (পূর্ব নাম লক্ষ্মণপুরে)। তার স্মৃতি রক্ষায় সেখানে একটি জাদুঘর ও গ্রন্থাগার গড়ে তোলা হয়েছে। কিন্তু প্রতিষ্ঠার এক যুগ পার হওয়ার পরও তা পূর্ণতা পায়নি। জাদুঘরটিতে সালামের একটি ছবি ছাড়া সেখানে তেমন কোনো স্মৃতিচিহ্ন নেই। তাছাড়া স্থাপনাটি দেখভালের জন্য একজন কর্মচারী নিয়োজিত থাকলেও ভবনটি সময়মতো খোলা হয় না। দর্শনার্থীরা তাই হতাশ হয়ে ফিরে যান বলে অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয়দের ভাষ্য, সালামের বাড়ির পাশে জেলা পরিষদের তত্ত্বাবধানে ১২ শতক জমির ওপর সালাম স্মৃতি জাদুঘর ও গ্রন্থাগার নির্মাণ করা হয়। ২০০৮ সালে ৬৩ লাখ টাকা ব্যয়ে জাদুঘরটির নির্মাণকাজ শুরু হয়। এরপর ২০১১ সালে স্থানীয় জেলা প্রশাসক স্থাপনাটির উদ্বোধন করেন। কিন্তু স্মৃতি জাদুঘর শুধু নামেই। সেখানে শহীদ সালামের কোনো স্মৃতিচিহ্ন নেই। গ্রন্থাগারটিও পুরনো বই দিয়ে সাজানো। পড়ার জন্য কোনো ধরনের স্থানীয় বা জাতীয় পত্রিকাও রাখা হয় না। তাছাড়া জাদুঘর ও গ্রন্থাগারে যাওয়ার রাস্তাটিরও জীর্ণদশা। মাতুভূঞা ব্রিজ থেকে সালাম স্মৃতি জাদুঘরে যাওয়ার প্রধান সড়ক অনেকাংশই নদীভাঙনে বিলীন হয়ে গেছে। ভাষাশহীদ আবদুস সালামের ভাই আবদুল করিম জানান, ভাষাশহীদ আবদুস সালামের কবর চিহ্নিত করা হলেও করা হয়নি নামকরণ। সরকারিকরণ করা হয়নি গ্রন্থাগার ও জাদুঘরটিও। প্রতি বছর ২১ ফেব্রুয়ারি জাদুঘরের পাশে শহীদ মিনারে পুষ্পপস্তবক অর্পণে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা আসেন। আর সারা বছর খবর রাখেন না কেউ।
দাগনভূঞা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাহিদা আক্তার তানিয়া বলেন, আমরা কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি, যাতে অল্প সময়ে রাস্তাটি মেরামত করা হয়। এদিকে অব্যবস্থাপনার কথা স্বীকার করে সংকট নিরসনের জন্য উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান খায়রুল বাশার মজুমদার তপন। তিনি বলেন, কর্তব্যে অবহেলার কারণে আগের গ্রন্থাগারিককে ছাঁটাই করে দেওয়া হয়েছে। শিগগিরই নতুন গ্রন্থাগারিক নিয়োগ দেওয়া হবে।