ব্রেকিং:
প্রতিটি সূচক অর্জনেই বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশের কাতারে: সেতুমন্ত্রী চীনে শুরু হচ্ছে ১০ দিনব্যাপী কুকুর খাওয়ার উৎসব বিশ্বকাপে ব্রাজিলের মুখোমুখি হচ্ছে বাংলাদেশ দেশব্যাপী তালগাছ রোপণ অভিযান শুরু করেছে আওয়ামী লীগ আরেকটি প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রাথমিকে শূন্য পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া দ্রুত করার সুপারিশ ঢাকা বাইপাস সড়কের চার লেন প্রকল্পের কাজ শুরু পার্বত্য জেলার ১৪২ প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণের সুপারিশ এলডিসি থেকে টেকসই উত্তরণে নতুন প্ল্যাটফর্ম আওয়ামী লীগ কেবল রাজনৈতিক দল নয়, জাতির নিউক্লিয়াসও: জয় আওয়ামী লীগ হীরার টুকরো, ভাঙলে বেশি জ্বলজ্বল করে : প্রধানমন্ত্রী খালের পানিতে নেমে ডুবে গেল দুই শিশু ৩০ টাকায় মেলে ভাত মাছ সবজি ডিম গাছে গাছে পাখির নিরাপদ আশ্রয় করে দিচ্ছেন যুবকরা দুই আঙুলে নাক টিপে পথ চলতে হয় এখানে চাচার ভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন কলেজছাত্রী এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের ১৬ লাখ টাকা লুটের নেপথ্যে ‘ছিনতাই’ প্রতিবন্ধীদের চলাচলের রাস্তা কেটে ফেলার অভিযোগ লুঙ্গি ও গামছা পরে সাজাপ্রাপ্ত আসামিকে গ্রেফতার করল এএসআই টিকা উৎপাদনে আন্তর্জাতিক সহায়তা চেয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
  • বৃহস্পতিবার   ২৪ জুন ২০২১ ||

  • আষাঢ় ১২ ১৪২৮

  • || ১৩ জ্বিলকদ ১৪৪২

ঈদের তারিখ যেভাবে চূড়ান্ত করে চাঁদ দেখা কমিটি

নোয়াখালী সমাচার

প্রকাশিত: ১১ মে ২০২১  

পবিত্র ঈদুল ফিতর কবে পালিত হবে, তা চাঁদ দেখার ওপর নির্ভরশীল। বাংলাদেশে ঈদের দিন চূড়ান্ত হয় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের চাঁদ দেখা কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী। নিয়ম অনুযায়ী, ২৯ রমজান সন্ধ্যায় এ কমিটি বৈঠকে বসে।

চলতি বছরের ঈদুল ফিতর কবে, সেই সিদ্ধান্ত গ্রহণের ল‌ক্ষ্যে আগামীকাল বুধবার বৈঠকে বসবে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি। এদিন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বায়তুল মোকাররম সভাকক্ষে সন্ধ্যা সোয়া সাতটায় বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।

কাল যদি দেশের কোথাও চাঁদ দেখা যায় তাহলে পরদিন ঈদের ঘোষণা দেবে ইসলামিক ফাউন্ডেশন। তবে চাঁদ দেখা না গেলে ৩০ রোজা শেষেই ঈদ হয়ে থাকে। তবে কখনও ৩১ রোজা রাখার সুযোগ নেই।

কীভাবে কাজ করে চাঁদ দেখা কমিটি?

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সূত্রমতে, চাঁদ দেখার সংবাদ পর্যালোচনা ও এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার জন্য ধর্মমন্ত্রীর নেতৃত্বে বৈঠকে বসবেন চাঁদ দেখা কমিটির সদস্যরা, যেখানে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক সদস্য সচিব হিসেবে কাজ করে থাকেন।

মূল চাঁদ দেখা কমিটির সঙ্গে একযোগে প্রতিটি জেলায় একটি করে কমিটি কাজ করে। দেশের কোথাও চাঁদ দেখা গেলে সেটি স্থানীয় প্রশাসন বা ইসলামিক ফাউন্ডেশন সংশ্লিষ্টদের মাধ্যমে জেলা কমিটির কাছে পৌঁছায়। পরে জেলা প্রশাসন দ্রুত সেটি নিশ্চিত করে। পরে সে খবরটি যাচাই হয়ে জেলা কমিটি হয়ে কেন্দ্রীয় চাঁদ দেখা কমিটির হাতে পৌঁছায়।

জেলা কমিটি বিষয়টি বিভিন্নভাবে যাচাই করে থাকে। যেমন স্থানীয় অনেকে চাঁদ দেখেছে কি-না সেটা যাচাই করা হয়। সেক্ষেত্রে নির্ভরযোগ্য ও ভালো দৃষ্টি শক্তিসম্পন্ন কাউকে চাঁদ দেখতে হবে। এছাগা স্থিরচিত্র বা ভিডিওচিত্র দ্রুত সংগ্রহ করে নিশ্চিত হয়ে থাকে স্থানীয় প্রশাসন। 

দেশজুড়ে আবহাওয়া অধিদফতরের ৭৪টি স্টেশন রয়েছে। সেখান থেকেও তথ্য নেয় চাঁদ দেখা কমিটি। যদি আবহাওয়া অনুকূল না থাকে অর্থাৎ খালি চোখে চাঁদ দেখার সুযোগ না থাকলে আবহাওয়া স্টেশন থেকে পাওয়া তথ্যও চাঁদ দেশের আকাশে উঠেছে কি-না তা নিশ্চিত হতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

আবহাওয়াবিদ আব্দুল মান্নান বলেন, সাধারণত চাঁদ উঠলে সেটি কোথাও না কোথাও দেখা যায়। সেটি খালি চোখে না দেখা গেলেও টেলিস্কোপে ধরা পড়বেই। আর সেটি দেখা মাত্রই আবহাওয়া বিভাগ সংশ্লিষ্টদের জানিয়ে থাকে।

অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল সোসাইটি দাবি করে চাঁদ কবে দেখা যাবে সেটি আগে থেকেই জানা সম্ভব। তবে ধর্মীয় বিধান অনুযায়ী বাংলাদেশের আলেমরা একমত হয়েছেন যে, দেশের ভূখণ্ডে চাঁদ দেখা গেলেই সে অনুযায়ী রোজা বা ঈদ হবে।