ব্রেকিং:
হাতিয়ায় বহুল প্রতীক্ষিত আওয়ামীলীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে নোবিপ্রবিতে খাদ্য দিবস উৎযাপন সেনবাগে ফ্রী ব্লাড গ্রুপ নির্ণয় ক্যাম্পিং জেঠার লালসার শিকার ভাতিজী! চাটখিলে শিক্ষা জরিপ বিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত সোনাইমুড়ীতে ওপেন হাউজ ডে পালিত সুবর্ণচরে সফটস্কিল বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা চাঞ্চল্যকর মিলন হত্যা মামলায় নতুন মোড় যৌতুকের নেশায় পাগল স্বামী স্ত্রীকেও ছাড়লো না সোনাইমুড়ীতে জুয়ার বিরুদ্ধে পুলিশের বিশেষ অভিযান প্রেমিক প্রেমিকা হিসেবে সাংবাদিকরাই সেরা! লাশ কবরে যেভাবে রাখবেন যৌতুকের জন্য অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীর মাথা ন্যাড়া করল স্বামী সৌরবিদ্যুতে বিনিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ সৌদি আরবের কৃষিতে বাংলাদেশ এখন বিশ্বে রোল মডেল: খাদ্যমন্ত্রী দক্ষ জনশক্তির বিকল্প নেই: রাষ্ট্রপতি ক্ষুধা দূরীকরণে ভারত-পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ ঢাকায় ফিফা সভাপতি সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় ৩৫ ওমরাহযাত্রী নিহত বিদ্যুৎ কেড়ে নিল স্বপ্ন

বৃহস্পতিবার   ১৭ অক্টোবর ২০১৯   কার্তিক ২ ১৪২৬   ১৭ সফর ১৪৪১

সর্বশেষ:
একবছরে পাঁচগুণ মুনাফা বেড়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আমাজন বাঁচাতে লিওনার্দোর ৫০ মিলিয়ন ডলারের অনুদান রাজধানীতে চার জঙ্গি আটক ১৬২৬৩ ডায়াল করলেই মেসেজে প্রেসক্রিপশন পাঠাচ্ছেন ডাক্তার জোরশোরে চলছে রূপপুর পারমাণবিক প্রকল্পের কাজ
৪৪৪

আর ঋণ নেব না, বিশ্বের মানুষকে ঋণ দেব

প্রকাশিত: ৩০ জুন ২০১৯  

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, ২০৩০ সাল নাগাদ আমরা আর ঋণ নেব না, ঋণ দেব ইনশআল্লাহ। সারা বিশ্বের মানুষকে ঋণ দেব আমরা।তিনি বলেন, আমাদের ঋণের পরিমাণ জিডিপির ৫ শতাংশ। মালয়েশিয়ার এর চেয়ে বেশি। ঋণের পরিমাণ হিসাব করা হয় জিডিপি দিয়ে। আমরা ঋণ নেই চায়নার কাছ থেকে। চায়নার ঋণের পরিমাণ জিডিপির ২৮৪ শতাংশ। শনিবার জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটের সমাপনী বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

প্রস্তাবিত ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটের সুফল ২০২৪ সাল পর্যন্ত পাওয়া যাবে দাবি করে অর্থমন্ত্রী বলেন, এ বাজেটটি শুধু একটি বছরের জন্য নয়। এ বাজেটের ফাউন্ডেশন এ বছর। কিন্তু এ বাজেট থেকে ২০৩০ সাল পর্যন্ত অর্জন করতে পারব। সেভাবে আমরা বাজেটটি প্রণয়ন করেছি। আমি বিশ্বাস করি, ২০২৪ সালে আমরা ডাবল ডিজিট গ্রোথে পা রাখব। ২০২৪ সাল থেকে শুরু করে ২০৩০ সাল পর্যন্ত এ বাজেটের ফলাফল পাব।

তিনি বলেন, একটা দেশ এবং জাতির সঙ্গে অনেক মিল আছে। মানুষের জীবনে যেমনিভাবে সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়, ঠিক তেমনিভাবে দেশের ক্ষেত্রেও সেটা সম্ভব হয়। দেশের ক্ষেত্রে সম্ভব হয় বলেই আমরা আমাদের এ বাজেটে টাইটেল রেখেছি- ‘সময় এবার আমাদের, সময় এখন বাংলাদেশের’- এটা ইচ্ছাকৃতভাবে লেখা হয়েছে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, আমরা কী দেখতে পাই? আমরা যদি মালয়েশিয়ার দিকে তাকাই? ৩০ বছরের মধ্যে মালয়েশিয়া চলে গেছে তাদের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে, কাঙ্ক্ষিত জায়গায়। চায়নার অবস্থা কি ছিল? চায়না সবচেয়ে দরিদ্র দেশ ছিল। চায়নায় কোনো খাবার ছিল না। চায়না আজকে পৃথিবীর এক নম্বর দেশ।

তিনি বলেন, যদি চায়না পারে, মালয়েশিয়া পারে, সাউথ কোরিয়া পারে তাহলে বাংলাদেশ অবশ্যই পারবে। আমরা গত ১০ বছরে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে নিরলস পরিশ্রম করে সবাই মিলে বাংলাদেশকে যে জায়গায় নিয়ে এসেছি। ট্রেন একবার যখন ট্র্যাকের ওপর উঠে যায় তখন আর ট্রেন পেছনের দিকে যায় না। কোনো জাতি নেই আমাদের এখান থেকে গতিচ্যুত করতে পারবে। আমরা এগোবই, এগোবই ইনশাআল্লাহ।

নোয়াখালী সমাচার
নোয়াখালী সমাচার
এই বিভাগের আরো খবর